আমরা সব ধরনের প্রাকৃতিক মাছের প্রি-অর্ডার নিয়ে থাকি।
বাঙালির মাছের তালিকায় একরকম শীর্ষে থাকে ইলিশ, চিংড়ি, ভেটকি। ভেটকি ভালোবাসেন প্রায় সব বাঙালিই। মাছের বাজারে গেলে এই মাছ কম বেশি সারা বছরই চোখে পড়ে। অত্যন্ত সুস্বাদু এই মাছ যেমন পাতুরিতে সেরা তেমনই জিভে জল আসে ভেটকি ঝালেও। জনপ্রিয়তা তুঙ্গে থাকলেও অনেকেই কিন্তু জানেন না এই মাছ খেলে কী হয়? আপনি জানেন তো?
জানলে অবাক হবেন যে এই ভেটকি মাছে এমন নানা উপাদান রয়েছে যেগুলি শরীরে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে। কাদের শরীরে এই মাছের কেমন প্রভাব পড়ে, সেটি মাছ খাওয়ার আগেই জেনে নেওয়া জরুরি। আর তার জন্য দেখে নেওয়া যাক, এই মাছে ঠিক কী কী রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে ভেটকি মাছে রয়েছে প্রভূত পরিমানে উন্নতমানের প্রোটিন, ওমেগা ৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড। শুধু তাই নয়, এতে ভিটামিন এ, বি এবং ডি, খনিজ পদার্থ, ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, লৌহ, পটাসিয়াম, ম্যাগনিসিয়াম এবং সিলেনিয়াম থাকে। এককথায় পুষ্টিগুণের ভাণ্ডার এই মাছ। এবার দেখে নেওয়া যাক, যিনি এই মাছ খাচ্ছেন, তাঁর শরীরে এর প্রভাব পড়তে চলেছে।
বস্তুত প্রোটিন, ওমেগা ৩ এবং ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এগুলি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং রক্তের চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ফলে যাঁদের বয়স বেশির দিকে, তাঁরা এই মাছ খেলে উপকার পেতে পারেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভেটকি মাছের ভিটামিন এ, বি এবং ডি, খনিজ পদার্থ, ক্যালসিয়াম, জিংক, লৌহ, পটাসিয়াম, ম্যাগনিসিয়াম এবং সিলেনিয়াম শরীর গঠন ও বৃদ্ধির কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে বয়স্কদের পাশাপাশি কম বয়সিদের জন্যও ভেটকি হয়ে উঠতে পারে দারুণ একটি মাছ।
একজন পূর্ণ বয়স্কর পেশির গঠন এবং শক্তির আধার হিসাবে এই মাছ দারুণ কার্যকর হয়ে উঠতে পারে। কোনও পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির সারা দিনে গড়পড়তা ৪৬ থেকে ৫৬ গ্রাম প্রোটিন দরকার হয়। ভেটকিমাছের ৬ আউন্স ফিলেতে প্রোটিন আছে ৩৫ গ্রাম।
এখানেই শেষ নয়, ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডের গুরুত্বপূর্ণ আধার ভেটকিমাছ। এই উপাদানটি ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমিয়ে হৃদরোগ, ক্যানসার এবং অন্যান্য মস্তিষ্কের অসুখের আশঙ্কা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। এটি একটি দারুণ গুণ।
স্যাচুরেটেড ফ্যাট নেই বললেই চলে। ভেটকি মাছে ফ্যাট বা স্নেহজাতীয় পদার্থের পরিমাণ অত্যন্ত কম। কোলেস্টেরলের পরিমাণ মাত্র ৭০ মিলিগ্রাম। তাই বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, ব্যালান্সড ডায়েটে রাখতেই পারেন এই মাছ।
যাঁরা রোগা হওয়ার জন্য ডায়েটিং করছেন, তাঁরা নিয়মিত খেতে পারেন এই মাছ৷ এছাড়াও এই মাছের কিছু উপাদান দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি করতে এবং গাঁটের ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে।
সব মিলিয়ে ভেটকিকে এককথায় সুস্বাস্থ্যের খনি বলাই যায়। ফলে বাড়িতে নিয়মিতই খেতে পারেন এই মাছটি। আর বিয়েবাড়িতে নিশ্চিন্তে মুখে তুলতে পারেন এই মাছ।
সোর্সঃ নদী ও হাওড়।
মাছ আস্ত/কাটিং নিতে পারবেন, কাটিং এর পরে কিছু ওজন কমবে।





Reviews
There are no reviews yet.